bisnesy.comবিক্রি হোক দ্রুত।টাকার হিসাব থাকুক নিখুঁত।
আপনার কাউন্টার, আপনার গুদাম আর আপনার হিসাবরক্ষক, তিনজনের জন্যই একটা লগইন। বাংলাদেশের দোকানের জন্য তৈরি পস, স্টক আর হিসাবের সফটওয়্যার।
তৈরি ও পরিচালনায় WaafiTech
কাগজের খাতা, ক্যালকুলেটর আর তিনটা অ্যাপ, সবগুলোর জায়গা নেয় একটাই বিজনেসি।
মোড়ের দোকান হোক বা কয়েক শাখার পাইকারি ব্যবসা, বিলিং, স্টক, হিসাব, কর্মী আর টাকা সবকিছু একটাই ভরসার জায়গা থেকে চলে। যেটা লাগবে, সেটা আছে; যেটা লাগবে না, তার জন্য টাকা গুনতে হবে না।
আজ আমরা কী দেখব
- 01দোকানদারের রোজকার মাথাব্যথা
- 02POS, কাউন্টারের গতি
- 03স্টক ও গুদামের নিখুঁত হিসাব
- 04পণ্যের ক্যাটালগ ও ফার্মেসী ডাটাবেস
- 05আসল ডাবল-এন্ট্রি হিসাব ও ভ্যাট
- 06ক্রয়, খরচ, মূলধন ও রিপোর্ট
- 07কাস্টমার, বাকি ও নিজের দামের তালিকা
- 08বাকি আদায়, মার্কেটিং ও লয়্যালটি
- 09নিজের অনলাইন দোকান, কাস্টমারের পাতা ও কুরিয়ার
- 10সার্ভিস, বুকিং ও রিকারিং বিল
- 11কর্মী, হাজিরা, ছুটি ও বেতন
- 12এআই স্টুডিও ও ড্যাশবোর্ড
- 13নিরাপত্তা ও একাধিক শাখা
- 14তুলনা, দাম ও শুরু করার উপায়
সারাদিন পরিশ্রম, রাতে চারটা প্রশ্নের উত্তর নেই
“লাভ হলো কত?”
বিক্রি ভালোই হলো, ক্যাশ বাক্সও ভরা। কিন্তু বাকি, খরচ আর ক্রয়মূল্য বাদ দিলে হাতে আসলে কী থাকল, উত্তরটা অনুমানেই থেকে যায়।
“পরে দিব” বলে চলে যায়
বাকির খাতা মোটা হয়, মনে করানোর দায়িত্বটা আপনার ঘাড়ে। ফোন করতে সংকোচ, না করলে টাকা আটকে থাকে।
মাল আছে ভাবলেন, নেই
চুরি, ভাঙা, মেয়াদ শেষ, কোথায় কত গেল কেউ বলতে পারে না। ক্রেতা এসে ফিরে যায়, আর মূলধন পড়ে থাকে অবিক্রীত মালে।
অ্যাপের ভিড়, বিলের ভিড়
বিলিং এক অ্যাপে, খাতা আরেকটায়, ডিজাইন তৃতীয় জায়গায়। প্রতি মাসে আলাদা বিল, আর কোনো হিসাব কোনোটার সাথে মেলে না।
চার প্রশ্নের উত্তর, এক জায়গায়
১২টি মডিউল, একটাই লগইন, একটাই বিল। মডিউল ধরে ধরে বাড়তি চার্জ নেই।
POS ও অনলাইন বিক্রি
স্টক ও একাধিক গুদাম
ভ্যারিয়েন্ট ও কম্বো প্যাক
২৬,০০০+ ওষুধের ডাটাবেস
ডাবল-এন্ট্রি হিসাব ও ভ্যাট
ক্রয়, খরচ, মূলধন ও অ্যাসেট
কাস্টমার, বাকি ও দামের তালিকা
রিমাইন্ডার, মার্কেটিং ও লয়্যালটি
সার্ভিস, বুকিং ও রিকারিং বিল
হাজিরা, ছুটি, বেতন ও এজেন্ট ব্যাংকিং
এআই স্টুডিও ও ড্যাশবোর্ড
নিরাপত্তা ও একাধিক শাখা
কাউন্টার, স্টক ও ক্যাটালগ
নেট না থাকলেও বিলিং চলবে, প্রতিটি পিসের হিসাব থাকবে, আর ওষুধের নাম লিখলেই বাকিটা নিজে বসে যাবে।
লাইনে পাঁচজন দাঁড়ানো? নেট গেলেও বিল থামবে না
লাইন কাটুক, বৃষ্টিতে নেট যাক, বিল হবে আগের মতোই। ইন্টারনেট ফিরলেই সবকিছু নিজে থেকে ক্লাউডে উঠে যায়, একটা এন্ট্রিও হারায় না।
নিজের বারকোড বানান, যেকোনো সাইজে প্রিন্ট করুন। স্ক্যানার না থাকলে মোবাইলের ক্যামেরাই স্ক্যানার।
দোকানের বিক্রি আর ফেসবুক পেজের অর্ডার একই জায়গায়। কাস্টমারকে ইনভয়েস লিংক পাঠিয়ে দিন, সে নিজেই দেখে নেবে।
অর্ধেক নগদ, বাকিটা বাকি, এক পর্দাতেই। থার্মাল রশিদ বা A4 ইনভয়েস, যেটা দরকার সেটাই এক ট্যাপে।

এক দোকান থেকে পাঁচ শাখা — একই হিসাবে
প্রতিটি শাখার নিজের স্টক, ক্যাশ আর বিল নম্বর
শাখা যোগ করুন, তার গুদাম আর ক্যাশ ড্রয়ার নিজে থেকেই তৈরি হয়। রিপোর্ট শাখা ধরে বা সব একসাথে দেখুন — সব শাখার যোগফল সবসময় পুরো ব্যবসার সাথে মেলে।
ক্যাশিয়ারের শিফট, খোলা থেকে বন্ধ
শিফট খোলার সময় টাকা গুনুন, বন্ধের সময় আবার। কম-বেশি নিজে থেকেই হিসাবে ওঠে, আর Z-রিপোর্ট থার্মাল প্রিন্টারে প্রিন্ট হয়।
লাইনে একাধিক কাস্টমার? বিল হোল্ড করুন
অসম্পূর্ণ বিল নাম আর নোটসহ সরিয়ে রাখুন, পরের কাস্টমারকে বিল দিন, তারপর ঠিক যেখানে ছিলেন সেখান থেকে ফিরে আসুন।
ইমেইল ছাড়াই স্টাফ লগইন
স্টাফের মোবাইল নম্বর দিন, পাসওয়ার্ড আমরাই বানিয়ে দিই, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিন। চাইলে একই সাথে এইচআর-এ বেতন ও হাজিরা।
সাইন-আপ থেকে প্রথম বিক্রি, ৫ মিনিটে
দোকানের ধরন অনুযায়ী চেনা পণ্য, সঠিক একক আর ক্যাটাগরি তৈরি থাকে। দাম আর স্টক লিখুন, তারপর POS নিজেই দেখিয়ে দেয় কোথায় চাপতে হবে।
নাম, দাম আর কতগুলো আছে — একসাথে কয়েকটি পণ্য।
POS-এ ধাপে ধাপে দেখায়: পণ্যে ট্যাপ, বিল, পেমেন্ট।
ছবি না থাকলেও প্রতিটি পণ্যের চেনা ছবি — চাল, তেল, ডিম।


দোকানে না থেকেও দোকান আপনার হাতে
ঢাকায় বসে চট্টগ্রামের দোকানের বিক্রি দেখুন। কর্মী বিল করলে ফোনে নোটিফিকেশন আসবে, কিছুই আড়ালে থাকবে না।




কারেন্ট বা নেট গেলেও বিল থামবে না, নিজের কম্পিউটারে
বিজনেসি ডেস্কটপ হলো সেই একই বিজনেসি, উইন্ডোজ কম্পিউটারে নিজস্ব ডেটাবেসসহ। বিক্রি, স্টক, বাকি আর হিসাব — সব অফলাইনে চলে, ডেটা থাকে দোকানেই। একবার পেমেন্টে লাইফটাইম লাইসেন্স, প্রতিটি ৭ দিন ফ্রি দিয়ে শুরু।

বিল, বারকোড স্ক্যান, রসিদ প্রিন্ট — সার্ভারের অপেক্ষা ছাড়াই, আগের মতোই।

স্টক, বাকি, লাভ-ক্ষতি — একই হিসাব, একই রিপোর্ট, নিজের কম্পিউটারে।
শেলফে কী আছে, তা আর অনুমানের বিষয় নয়
দোকান, গুদাম, শাখা, প্রতিটির আলাদা স্টক। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মাল পাঠালে দুই দিকের হিসাব নিজেই ঠিক হয়ে যায়।
যে মালটা দ্রুত চলে, সেটা শেষ হওয়ার আগেই সফটওয়্যার আপনাকে বলে দেবে। “স্যরি, শেষ হয়ে গেছে”, এই কথাটা আর বলতে হবে না।
একই মাল ভিন্ন দামে কিনেছেন? গড় ক্রয়মূল্য নিজে থেকেই হিসাব হয়, তাই লাভের অঙ্কটা সত্যি হয়।
ব্যাচ ও মেয়াদের তারিখ ধরে ট্র্যাকিং। মেয়াদ শেষের আগেই সতর্কবার্তা, লোকসানের আগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় থাকে।

মাল নষ্ট হলে ক্ষতিটা অন্তত হিসাবে ধরা পড়ুক
- Theft
- চুরি বা উধাও হওয়া মাল
- Damage
- ভাঙা, ফেটে যাওয়া, নষ্ট
- Expiry
- মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া
- Count correction
- গুনে দেখলে যা মেলে না
এক এন্ট্রি, চারটা জিনিস নিজে ঠিক হয়
- 01গড় ক্রয়মূল্য আবার নতুন করে হিসাব হয়
- 02স্টকের পরিমাণ সাথে সাথে সংশোধন হয়ে যায়
- 03হিসাবের খাতায় জার্নাল এন্ট্রি নিজে বসে যায়
- 04লাভ-ক্ষতির রিপোর্টে ক্ষতিটা সঠিক জায়গায় দেখায়
কাগজে লাভ, বাস্তবে লোকসান, এই ফাঁদ এখানেই শেষ।
নষ্ট মালের হিসাব না রাখলে খাতা মিথ্যা লাভ দেখায়। বিজনেসিতে প্রতিটি ক্ষতি নিজে থেকেই খাতায় বসে, তাই মাস শেষে যে সংখ্যাটা দেখছেন, সেটাই আসল।
আপনার দোকান যেমন, ক্যাটালগও তেমন হবে

সাইজ, রঙ, মডেল, প্রতিটির নিজের দাম, নিজের স্টক, নিজের বারকোড। আর কয়েকটা পণ্য মিলিয়ে অফার প্যাক বানাতে এক মিনিটও লাগে না।

ওষুধের নামের প্রথম কয়েকটা অক্ষর লিখুন, জেনেরিক নাম, কোম্পানি আর MRP নিজেই বসে যাবে। হাজারো পণ্য হাতে তোলার পরিশ্রম বেঁচে গেল।
হিসাব, খরচ ও রিপোর্ট
অ্যাকাউন্ট্যান্ট যে খাতা দেখে সই করতে পারবেন, সেটা নিজে থেকেই তৈরি হয়ে থাকে।
খাতা লেখার অ্যাপ নয়, এটা আসল হিসাবরক্ষণ
আপনি শুধু বিক্রি করেন, ক্রয় করেন, খরচ লেখেন। জার্নাল এন্ট্রি, লেজার, ট্রায়াল ব্যালেন্স, সব পেছনে নিজে থেকেই তৈরি হয়ে যায়।
পূর্ণাঙ্গ চার্ট অব অ্যাকাউন্টস আর লেজার, ব্যাংকে বা বিনিয়োগকারীর সামনে দেখানোর মতো।
মাস শেষে বসে মেলাতে হবে না, ট্রায়াল ব্যালেন্স সবসময় তৈরি থাকে।
এনবিআরের নিয়ম মেনে ভ্যাট ইনভয়েস ও রিপোর্ট। ভ্যাট অফিসারের প্রশ্নের উত্তর হাতের কাছেই।


টাকা কোথা থেকে এলো, কোথায় গেল, শেষ টাকাটা পর্যন্ত
সাপ্লায়ারের বিল, মাল বুঝে নেওয়ার রেকর্ড, ফেরত পাঠানো মাল, কার কাছে কত দেনা, এক পাতায়।
ভাড়া, বিদ্যুৎ, পরিবহন, চা-নাস্তা, ছোট খরচগুলোই লাভ খেয়ে ফেলে। ক্যাটাগরি ধরে দেখুন কোথায় বেশি যাচ্ছে।
নিজের লগ্নি, ব্যাংক লোন আর প্রতি মাসের কিস্তি, ব্যবসার টাকা আর নিজের টাকা আর মিশে যাবে না।
এসি, ফ্রিজ, শোকেস, গাড়ি, সবের হিসাব, আর বছর বছর অবচয় নিজে থেকেই বসে যায়।


যে প্রশ্নটাই মনে আসুক, রিপোর্ট আগেই তৈরি
বিক্রি, স্টক, বাকি, ভ্যাট, লাভ, শাখা, কাউন্টার আর অনলাইন স্টোর, ৪৩টি রিপোর্ট এক ক্লিকে। এক্সেল বা পিডিএফে নামিয়ে হিসাবরক্ষককে পাঠিয়ে দিন।



কাস্টমার, বাকি ও বিক্রি বাড়ানো
টাকা তোলার তাগাদা দেবে সফটওয়্যার, আর কাস্টমারকে ফিরিয়ে আনবে অফার।
“আমার কত বাকি?”, উত্তর দিতে দুই সেকেন্ড
প্রতিটি কাস্টমার ও সাপ্লায়ারের নিজের খাতা, কে কত পাবে, কে কত দেবে, কোন তারিখে কী হয়েছে, সব সাজানো। তর্কের জায়গা থাকে না।
পাইকার এক দাম, খুচরা আরেক দাম, পুরনো কাস্টমারের জন্য বিশেষ দাম। পার্টির নাম ধরলেই ঠিক দামটা বসে যায়, কর্মী ভুল করার সুযোগই পায় না।
সুন্দর কোটেশন পাঠান, অর্ডার এলে সেটাকেই এক ক্লিকে ইনভয়েস বানিয়ে ফেলুন। আবার টাইপ করার দরকার নেই।

তাগাদা দেওয়ার অস্বস্তিটা সফটওয়্যারকে দিয়ে দিন
বাকিতে বিক্রির সময় তারিখটা বসিয়ে দিন। দিন পেরোলে বিজনেসি সকালেই আপনাকে জানায়, আর কাস্টমারের পাতা থেকে এক ট্যাপে তার সঠিক বাকিসহ ভদ্র একটা বার্তা হোয়াটসঅ্যাপে বা এসএমএসে চলে যায়। ফোন করে অস্বস্তিতে পড়তে হয় না।
বার্তার সাথেই তার পুরো হিসাবের পিডিএফ। “কত বাকি, কীসের বাকি”, প্রশ্ন করার আগেই উত্তর হাতে।
নতুন মাল এসেছে? ঈদের অফার? কাস্টমার গ্রুপ বেছে নিয়ে SMS বা ইমেইল পাঠান। যারা আগে কিনেছে, তাদের ফেরানোই সবচেয়ে সস্তা মার্কেটিং।

নতুন কাস্টমার জোগাড়ের চেয়ে পুরনো কাস্টমার ফেরানো সহজ
পয়েন্ট জমে কাস্টমারের প্রোফাইলে, কুপন চলে কাউন্টারে একটা কোডে, আর প্রতিটি টাকার ছাড় রিপোর্টে ধরা থাকে।
মেম্বারশিপ ও পয়েন্ট
প্রতি কেনাকাটায় পয়েন্ট জমুক, পরের বিলে ছাড় হয়ে ফিরুক। জমানো পয়েন্ট থাকলে কাস্টমার পাশের দোকানে যায় না।
কুপন ও প্রোমো কোড
নিজের কোড বানান, যেমন EID10: টাকায় বা শতাংশে ছাড়, সর্বোচ্চ কত ছাড়, সর্বনিম্ন কত টাকার বিল, কবে শুরু কবে শেষ, মোট কতবার আর একজন কাস্টমার কতবার চালাতে পারবে, সব আপনি ঠিক করেন। পস-এ কোড দিলেই বিল সাথে সাথে নতুন হিসাব হয়, ভ্যাটও ঠিক থাকে। কোন কুপন কতবার চলল আর কত ছাড় গেল, এক জায়গায় দেখা যায়।
ছাড়ের নিয়ন্ত্রণ
আইটেমে বা পুরো বিলে ছাড়, টাকায় বা শতাংশে। কে কত ছাড় দিতে পারবে সেটাও ঠিক করা যায়, আর প্রতিটি ছাড় রিপোর্টে থাকে।
শুধু দোকান নয়, সেবার ব্যবসাও এখানে চলে
স্টক নেই, তবু হিসাব আছে
সার্ভিসের দাম ঠিক করুন, বিল দিন। কে কোন সার্ভিস করল আর তার কমিশন কত, মাস শেষে বেতনের সাথেই মিলে যাবে।
অ্যাডভান্স বুকিং, ডাবল বুকিং নয়
রুম, সিট বা প্যাকেজের বুকিং এক পর্দায়। অ্যাডভান্সের টাকা সোজা কাস্টমারের খাতায় জমা হয়ে যায়।
একবার সেট, প্রতি মাসে বিল
কার বিল কবে, বিজনেসি মনে রাখে আর দিন এলে আপনাকে জানায়। শত গ্রাহক হলেও মাসের শুরুতে আর খাতা ঘেঁটে তালিকা বানাতে হয় না।
দোকানের দরজা বন্ধ থাকলেও বিক্রি চলুক
আপনার দোকানের একটি পাবলিক পাতা থাকে, যেখানে পণ্য, আসল দাম, স্টক, ভ্যারিয়েন্ট আর কম্বো দেখা যায়। কাস্টমার ব্রাউজারেই অর্ডার করে, কোনো অ্যাপ ইনস্টল করে না — আর অর্ডারটি আপনার হিসাবের ভেতরেই ঢোকে।
এক ঠিকানায় পুরো দোকান
আপনি বেছে নেওয়া পণ্যই দেখায়, সাথে স্টক। সাইজ বা রঙ মতো ভ্যারিয়েন্ট, আর একাধিক পণ্যের কম্বো — সবগুলোই ঠিক দাম ও স্টকসহ দেখা যায়। স্টক না থাকলে “স্টক শেষ” লেখা থাকে, ভুল করে অর্ডার নেওয়া যায় না।
ব্যাগ, কুপন আর ডেলিভারি ঠিকানা
কাস্টমার ব্যাগে পরিমাণ বদলায়, কুপন কোড দেয়, ডেলিভারির ঠিকানা ও নোট লেখে অর্ডার পাঠায়। কুপন কাউন্টারের নিয়মেই যাচাই হয়, তাই যে ছাড় দেখবে সেটাই বিলে বসবে।
অর্ডার ধাপে ধাপে
নতুন → নিশ্চিত → প্রস্তুত হচ্ছে → ডেলিভারিতে → সম্পন্ন, যেকোনো সময় বাতিল। ডেলিভারি চার্জ বা ছাড় যোগ করে এক ক্লিকে কোটেশন, আর তা থেকে বিক্রি — সব হিসাবের ভেতরে।
QR আর তালিকায় দোকান
সেটিংস থেকেই দোকানের লিংকের QR বানিয়ে নামিয়ে ব্যাগ, বিল বা ব্যানারে ছাপতে পারেন। চাইলে দোকানটি বিজনেসির পাবলিক দোকান তালিকায়ও দেখাতে পারেন, যাতে নতুন কাস্টমার খুঁজে আসে।
কাস্টমার নিজেই যা জানতে চায়, সেটা নিজেই দেখুক
তিনটি আলাদা ওয়েব পাতা, প্রতিটি আপনি চালু-বন্ধ করবেন। কোনো অ্যাপ লাগে না, মোবাইল ব্রাউজারেই চলে।
অনলাইন বিল
প্রতিটি ছাপা বিলে একটি QR। কাস্টমার স্ক্যান করলেই বিলটি খুলে যায় — পণ্য, দাম, হিসাব আর এখন পর্যন্ত কত পরিশোধ — যাচাই করা, অফিসিয়াল সাইটে।
বাকি দেখুন
কাস্টমার নিজের মোবাইল নম্বর লিখে দেখে কত বাকি, কোথা থেকে হয়েছে আর শেষ কবে জমা দিয়েছে। নাম আংশিক ঢাকা থাকে, পুরো খাতা নয়।
ওয়ারেন্টি দেখুন
সিরিয়াল বা IMEI দিয়ে, কিংবা মোবাইল নম্বরে — কবে কেনা, কতদিন ওয়ারেন্টি, কখন শেষ, কোন বিলে। এখনো সক্রিয় কি না, সব দেখায়।
এফ-কমার্স ও ডেলিভারি
কুরিয়ারের পার্সেল ফাইল ইমপোর্ট করলেই আসল অর্ডার: কাস্টমার, ঠিকানা, টাকা, কনসাইনমেন্ট কোড, আর স্টক থেকে নামা। কুরিয়ারের স্ট্যাটাস থেকে ডেলিভার্ড, রিটার্ন্ড ও বাতিলের বিশ্লেষণ, খরচ আর কমিশন হিসাবে বসে।
কে কখন এলো, কত ঘণ্টা কাজ করল, আর কাউকে জিজ্ঞেস করতে হবে না
হাজিরার খাতা, ছুটির চিরকুট আর মুখের কথা, তিনটার জায়গায় একটাই রেকর্ড, যেটা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে না।
অ্যাপে ঢুকলেই হাজিরা
কর্মী কাজ শুরু করতে অ্যাপে লগইন করলেই হাজিরা বসে যায়, সময় আর ডিভাইসসহ। আলাদা মেশিন কিনতে হবে না।
দরকার হলে আপনি নিজে বসাবেন
কেউ মাঠে গেছে, কারও ফোন নষ্ট? মালিক বা অ্যাডমিন হাতে হাজিরা বসিয়ে দিতে পারবেন, কে বসিয়েছে সেটাও লেখা থাকবে।
কর্মঘণ্টা, দেরি ও ওভারটাইম
ইন-আউট সময় থেকে দৈনিক কর্মঘণ্টা, দেরির দিন আর অতিরিক্ত সময় নিজেই হিসাব হয়। মাস শেষে কার কত, তর্ক ছাড়াই পরিষ্কার।
ছুটির আবেদন, এক ট্যাপে অনুমোদন
কর্মী অ্যাপ থেকেই ছুটির আবেদন করবে, আপনি যেখানে থাকুন এক ট্যাপে মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর করবেন। কে কত ছুটি নিল, হিসাব জমা থাকে।
সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি
শুক্রবার, ঈদ, সরকারি ছুটি, ক্যালেন্ডারে একবার বসিয়ে দিন। ছুটির দিনে অনুপস্থিত দেখাবে না, বেতনও কাটবে না।
পুরো নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে
হাজিরা, কর্মঘণ্টা, ছুটি, ওভারটাইম, সব রেকর্ড মালিক বা অ্যাডমিন দেখতে, সংশোধন করতে আর অনুমোদন করতে পারবেন। এক জায়গা থেকেই।
মাসের শেষ তারিখটা আর আতঙ্কের দিন নয়
হাজিরা থেকেই বেতন শিট
উপস্থিতি, ছুটি আর ওভারটাইম ধরে বেতন নিজেই হিসাব হয়। মাসের মাঝে নেওয়া অ্যাডভান্স কাটা যায়, বোনাস যোগ হয়, আর পুরো খরচটা সোজা হিসাবের খাতায় বসে যায়। ক্যালকুলেটর আর কাগজের দিন শেষ।
বিকাশ-নগদের ফ্লোট আর কমিশন আলাদা
ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট, প্রতিটির কমিশন আর ফ্লোট ব্যালেন্স আলাদা করে ট্র্যাক করুন। দোকানের বিক্রির টাকার সাথে এজেন্সির টাকা আর মিশে যাবে না।
এআই, ড্যাশবোর্ড ও নিরাপত্তা
ডিজাইনার ছাড়াই প্রচার, আর কর্মীর হাতে ঠিক ততটুকুই ক্ষমতা যতটা আপনি দিতে চান।
পোস্ট বানাতে আর ডিজাইনারের পেছনে ঘুরতে হবে না
মোবাইলে তোলা ছবিটাই দোকানের প্রচার হয়ে যাবে, সফটওয়্যারের ভেতরেই, বাড়তি টাকা ছাড়াই।

এক ক্লিকে ব্যাকগ্রাউন্ড উধাও, যতবার দরকার, ততবার।

অফারের পোস্ট বানিয়ে সোজা ফেসবুকে দিন।

ভিজিটিং কার্ডের ডিজাইন নিজেই বানিয়ে প্রিন্টে দিন।
আজ ব্যবসা কেমন গেল, চা শেষ হওয়ার আগেই জানা
বিক্রি, হাতে থাকা ক্যাশ, আদায় বাকি, ফুরিয়ে আসা মাল আর গত মাসের সাথে তুলনা, লগইন করলেই সামনে।

আগামী মাসের বিক্রি আজই জানুন
আপনার নিজের হিসাব থেকে আগামী ৩ মাসের বিক্রি আর আগামী দিনগুলোর ক্যাশফ্লোর পূর্বাভাস, প্রতিটির নির্ভুলতা লেখা থাকে। অনুমানে মাল তোলা বন্ধ।
যেকোনো পণ্যে চাপ দিলেই স্টকের পূর্ণ হিসাব, লাভ-মার্জিন, মাসিক চাহিদা, কোন ভ্যারিয়েন্ট চলে, কম্বোতে কোথায় লাগে, সেরা ক্রেতা কারা, আর কতটুকু অর্ডার দেবেন।
কারা দোকান চালায়, কার কাছে বাকি, কারা হারিয়ে যাচ্ছে, সব এক নজরে। প্রতিদিন সহজ ভাষায় একটি ব্রিফ বলে দেয় আজ কী দেখা দরকার।
কর্মীকে কাজ দিন, খাতা নয়
সেলসম্যান শুধু বিল করবে, ম্যানেজার স্টক দেখবে, লাভ-ক্ষতি শুধু আপনি। কে কী দেখবে, প্রতিটি লাইন আপনি ঠিক করে দেবেন।
কোন ডিভাইস থেকে লগইন হচ্ছে তা ধরা পড়ে, অচেনা ডিভাইস আটকে দেওয়া যায়। কর্মী চলে গেলে অ্যাকসেস বন্ধ, এক ক্লিকেই।
সব শাখা এক জায়গায়, এক ক্লিকে শাখা বদল। ডেটা থাকে ক্লাউডে, মোবাইল হারালেও ব্যবসার হিসাব হারায় না।

ছোট ছোট যে সুবিধাগুলো রোজ কাজে লাগে
বাল্ক ইমপোর্ট
এক্সেল ফাইল থেকে হাজারো পণ্য আর কাস্টমার একবারে তুলে নিন, শুরুর দিনটাই বেঁচে যায়।
সব লেনদেনের ফিড
দিনের প্রতিটি লেনদেন একটাই তালিকায়, কে করল, কখন করল, সব লেখা।
কাস্টম অ্যালার্ট
নিজের মতো রিমাইন্ডার সেট করুন, চেকের তারিখ, দোকান ভাড়া, লাইসেন্স নবায়ন।
একাধিক ব্যবসা
দুটো ব্যবসা আলাদা রাখুন এক লগইনেই, হিসাব মিশবে না, বদলাতে এক ক্লিক।
বাংলা ও English
যে ভাষায় স্বচ্ছন্দ, সেটাই বেছে নিন, কর্মী প্রথম দিনেই চালাতে পারবে।
বিকাশ পেমেন্ট
সাবস্ক্রিপশনের বিল বিকাশেই, কার্ড বা ব্যাংকের ঝামেলা নেই।
ক্লাউড সিঙ্ক
মোবাইল, ল্যাপটপ, কাউন্টারের পিসি, যেখানেই খুলুন, একই হিসাব।
বাংলায় সাপোর্ট
সমস্যায় পড়লে বাংলায় কথা বলুন, ফোনে, হোয়াটসঅ্যাপে। মানুষ উত্তর দেবে, রোবট নয়।
খাতা, খাতার অ্যাপ, ডেস্কটপ পস আর ইআরপির সাথে তুলনা
| যা দরকার | Bisnesy | খাতা / এক্সেল · Paper / Excel | খাতার অ্যাপ · Khata apps | ডেস্কটপ পস · Desktop POS | সেটআপ ফির ইআরপি · ERP + setup fee |
|---|---|---|---|---|---|
| বাকির হিসাব | প্রতিটি বাকির বিক্রি থেকে, রিমাইন্ডারসহ | হাতে লিখে | হ্যাঁ, এটাই মূল কাজ | সাধারণত আছে | হ্যাঁ |
| বিক্রির সাথে স্টক | হ্যাঁ, ইউনিট, ব্যাচ ও মেয়াদসহ | না | অ্যাপভেদে, সাধারণত সীমিত | হ্যাঁ | হ্যাঁ |
| ডাবল-এন্ট্রি হিসাব | নিজে থেকে হয় | না | সাধারণত না | হ্যাঁ, প্রায়ই হাতে তুলতে হয় | হ্যাঁ |
| নেট গেলে বিলিং | হ্যাঁ, পরে সিঙ্ক | হ্যাঁ | অ্যাপভেদে | হ্যাঁ, ওই এক কম্পিউটারে | প্রতিষ্ঠানভেদে |
| যেকোনো ফোন বা কম্পিউটার থেকে | হ্যাঁ | না | মূলত ফোনে | যেখানে ইনস্টল করা | সাধারণত |
| ২৬,০০০+ ওষুধের ডাটাবেস | আছে | না | সাধারণত না | সফটওয়্যারভেদে | সফটওয়্যারভেদে |
| সাধারণ খরচ | মাসে ৳৪৯৯ থেকে, সেটআপ ফি নেই | ফ্রি | অ্যাপ ফ্রি | এককালীন লাইসেন্স | মাসিক ফি + সেটআপ ফি |
প্রতিটি ধরনের সাধারণ চিত্র; আলাদা পণ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। সেপ্টেম্বর ২০২৬।
দামি সফটওয়্যারের শক্তি, দোকানদারের ভাষায়
খরচ একটাই
যা দেখছেন তাই পাচ্ছেন, মডিউল ধরে ধরে বাড়তি বিল নেই, ইনস্টলেশন ফি নেই।
শিখতে একদিন
বাংলায় সবকিছু, দোকানের ছেলেটিও প্রথম দিনেই বিল করতে পারবে। ট্রেনিংয়ের জন্য দোকান বন্ধ রাখতে হবে না।
দেশের নিয়মে তৈরি
ভ্যাটের হিসাব, বিকাশ-নগদের আলাদা হিসাব, বাকির খাতা, এজেন্ট ব্যাংকিং, বাংলাদেশের ব্যবসা যেভাবে চলে, ঠিক সেভাবেই।
সহনশীল দাম, আপনার ব্যবসার সাথে বাড়ে
৭ দিন সব ফিচার ফ্রি চালিয়ে দেখুন, কার্ড লাগবে না। বিকাশে পেমেন্ট, ৩ মাস, ৬ মাস, ১ বছর একসাথে দিলে মাসপ্রতি কম, আর প্রথম পেমেন্টে ৩০ দিনে টাকা ফেরতের গ্যারান্টি, কোনো প্রশ্ন ছাড়াই।
স্টার্টার
একটা দোকান, সবে শুরু।
- ৩ মাস: ৳১,৩৯৯ · মাসে ≈ ৳৪৬৬৭% সাশ্রয়
- ৬ মাস: ৳২,৪৯০ · মাসে ≈ ৳৪১৫১ মাস ফ্রি
- ১ বছর: ৳৪,৯৯০ · মাসে ≈ ৳৪১৬২ মাস ফ্রি
- ১ ব্যবসা
- ৩ ইউজার
- ৩ ডিভাইস
দোকান চালাতে যা যা লাগে:
- পয়েন্ট অব সেল
- পণ্য ও ইনভেন্টরি
- ইনভেন্টরি
- পার্টি ও বাকির খাতা
- ক্রয়
- পেমেন্ট
- খরচ
- আয়
- সেলস চ্যানেল
- সার্ভিস ও কমিশন
- বুকিং (রুম / সিট / প্যাকেজ)
- এজেন্ট ব্যাংকিং / রিচার্জ / বিল
- রিকারিং বিলিং
- বারকোড (তৈরি, স্ক্যান, প্রিন্ট)
- সব লেনদেনের ফিড
- বাল্ক ইমপোর্ট (পার্টি + পণ্য)
- এফ-কমার্স (কুরিয়ার ইমপোর্ট + ডেলিভারি বিশ্লেষণ)
- কাস্টম রিমাইন্ডার ও অ্যালার্ট
- কাস্টমার এসএমএস (রিমাইন্ডার ও ক্যাম্পেইন)
- ডিজাইন স্টুডিও (পোস্ট ও কার্ড)
- কাস্টমার লিংক (অনলাইন বিল, বাকি ও ওয়ারেন্টি দেখা)
গ্রোথ
আমাদের পরামর্শটিম আছে, পুরো হিসাবও চান।
- ৩ মাস: ৳২,৭৯৯ · মাসে ≈ ৳৯৩৩৭% সাশ্রয়
- ৬ মাস: ৳৪,৯৯০ · মাসে ≈ ৳৮৩২১ মাস ফ্রি
- ১ বছর: ৳৯,৯৯০ · মাসে ≈ ৳৮৩৩২ মাস ফ্রি
- ৩ ব্যবসা
- ১০ ইউজার
- ১০ ডিভাইস
স্টার্টার-এর সব কিছু, এর সাথে:
- সম্পূর্ণ হিসাবরক্ষণ
- মূলধন ও সম্পদ
- এইচআর ও পেরোল
- লাভের লক্ষ্য পরিকল্পনা
- মাল্টি-ওয়্যারহাউস
- পার্টি-ভিত্তিক রেট
প্রো
কয়েক শাখা, সবটুকু চাই।
- ৩ মাস: ৳৪,১৯৯ · মাসে ≈ ৳১,৪০০৭% সাশ্রয়
- ৬ মাস: ৳৭,৪৯০ · মাসে ≈ ৳১,২৪৮১ মাস ফ্রি
- ১ বছর: ৳১৪,৯৯৯ · মাসে ≈ ৳১,২৫০১ মাস ফ্রি
- ৫ ব্যবসা
- ১৫ ইউজার
- ১৫ ডিভাইস
গ্রোথ-এর সব কিছু, এর সাথে:
- কুরিয়ার বুকিং (স্টেডফাস্ট, পাঠাও, রেডএক্স) + ফ্রড চেক
- উপস্থিতি ও ছুটি
- বিক্রয়কর্মী অনুযায়ী সেলস টার্গেট
- সেলস কুপন (ডিসকাউন্ট কোড)
- ইএমআই (কিস্তিতে) বিক্রি
- অনলাইন স্টোর (পাতা, অর্ডার, কুপন ও ডেলিভারি)
- একাধিক শাখা
- কাউন্টার ও ক্যাশিয়ার শিফট
- মার্কেটিং ও ক্যাম্পেইন
- এআই ফিচার
- অ্যাডভান্সড ও প্রায়োরিটি সাপোর্ট
- অ্যাক্সেস পলিসি
- কম্বো / বান্ডেল পণ্য
- অ্যাডভান্সড বারকোড (বাল্ক + লেবেল)
- মেম্বারশিপ ও রিওয়ার্ড পয়েন্ট
- ফটো স্টুডিও (এআই ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ)
Enterprise
For wholesalers, importers and businesses with many branches and warehouses.
- ৩ মাস: ৳১৩,৯৯৯ · মাসে ≈ ৳৪,৬৬৬৭% সাশ্রয়
- ৬ মাস: ৳২৫,০০০ · মাসে ≈ ৳৪,১৬৭১ মাস ফ্রি
- ১ বছর: ৳৫০,০০০ · মাসে ≈ ৳৪,১৬৭২ মাস ফ্রি
- ১৫ ব্যবসা
- ৩০ ইউজার
- ৩০ ডিভাইস
প্রো-এর সব কিছু, এর সাথে:
একবার পেমেন্ট: কম্পিউটার, মোবাইল বা দুটোই
একবার পেমেন্ট করতে চান? উইন্ডোজ ও মোবাইলের লাইফটাইম লাইসেন্স।
সেই একই দোকানের সফটওয়্যার, লাইফটাইম লাইসেন্স হিসেবে: নিজের পিসিতে, মোবাইলে, অথবা দুটো একসাথে কম্বো হিসেবে। মাসে মাসে নয় — টাকা একবারই।
Starter
৳১৮,০০০৩৩% ছাড়
একবার · আজীবন
- ১টি কম্পিউটার
- ফ্রি আপডেট
- অফলাইন POS, স্টক, বাকি ও হিসাব
- ব্যাকআপ ও রিস্টোর
- হোয়াটসঅ্যাপে সেটআপ সহায়তা
- ক্লাউড সিঙ্ক অ্যাড-অন: ৳২,৫০০/বছর
Growth
৳৩৬,০০০৪৪% ছাড়
একবার · আজীবন
- ৩টি কম্পিউটার
- ফ্রি আপডেট
- অফলাইন POS, স্টক, বাকি ও হিসাব
- ব্যাকআপ ও রিস্টোর
- হোয়াটসঅ্যাপে সেটআপ সহায়তা
- ক্লাউড সিঙ্ক অ্যাড-অন: ৳৩,৫০০/বছর
Pro
৳৫৪,০০০৪৮% ছাড়
একবার · আজীবন
- ৫টি কম্পিউটার
- ফ্রি আপডেট
- অফলাইন POS, স্টক, বাকি ও হিসাব
- ব্যাকআপ ও রিস্টোর
- হোয়াটসঅ্যাপে সেটআপ সহায়তা
- ক্লাউড সিঙ্ক অ্যাড-অন: ৳৫,০০০/বছর
৭ দিন ফ্রি · উইন্ডোজ ১০/১১ ও মোবাইল অ্যাপ · ডেস্কটপ পাতায় বিকাশে পেমেন্ট
ফোনেও
পুরো দোকান এখন পকেটে। ইন্টারনেট লাগবে না।
অ্যান্ড্রয়েডের জন্য বিজনেসি লাইফটাইম: সেই একই দোকানের সফটওয়্যার একবারের পেমেন্টে — নিজের ফোনে অফলাইন-ফার্স্ট — সাথে ডেস্কটপ + ফোন কম্বো, যা দুটোকে একসাথে সিঙ্ক রাখে।
Starter
৳৮,০০০৩৮% ছাড়
ফোন অ্যাপ
একবার · আজীবন
ডেস্কটপ + ফোন কম্বো · ৳১৬,০০০ · ১ বছর সিঙ্ক সহ
ফোনের দাম দেখুনGrowth
৳১২,০০০৩৩% ছাড়
ফোন অ্যাপ
একবার · আজীবন
ডেস্কটপ + ফোন কম্বো · ৳২৬,০০০ · ১ বছর সিঙ্ক সহ
ফোনের দাম দেখুনPro
৳১৮,০০০৩৩% ছাড়
ফোন অ্যাপ
একবার · আজীবন
ডেস্কটপ + ফোন কম্বো · ৳৩৬,০০০ · ১ বছর সিঙ্ক সহ
ফোনের দাম দেখুন৭ দিন ফ্রি · অ্যান্ড্রয়েড APK · অ্যাপের ভেতরে কিনুন
চলতি অফার
- ২০% ছাড়
WELCOMEWelcome Offer
শেষ ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
আজ বিকেলেই শুরু করুন, সাত দিন পুরো ফ্রি
কোনো টাকা লাগবে না, ইনস্টলেশন লাগবে না। পণ্যের তালিকা পাঠালে আমরাই তুলে দিই, প্রথম বিলটা আজই। ভালো লাগলে বিকাশে পেমেন্ট, না মিললে ৩০ দিনে টাকা ফেরত।
বিজনেসি চেনান, প্রতিটি পেমেন্টে ২০% আপনার, যতদিন তারা থাকবে
জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, এক আয়ে সংসার চলে না। দোকান না থাকলেও চলবে: আপনার লিংকটা বাজারের দোকানদার, পরিচিত ব্যবসায়ী আর অনলাইনে শেয়ার করুন। কেউ সাইন আপ করে প্ল্যান কিনলেই কমিশন, আর প্রতি মাসে সে রিনিউ করলে আবারও কমিশন। একবার পরিশ্রম, প্রতি মাসে আয়। যোগ দিতে কোনো টাকা লাগে না।
- প্রথম পেমেন্টে ২০%, তারপর প্রতিটি রিনিউয়ালে ২০%, সারাজীবন।
- আপনার লিংকে যারা আসবে তারা পাবে ৩০% ওয়েলকাম ছাড়, তাই লিংকটা ক্লিক করার মতো।
- ৳৫০০ জমলেই বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংকে তুলে নিন।
কোথায় শেয়ার করবেন?
- লিংক শেয়ার
- সাইন আপ
- গ্রোথ কিনল ৳৯৯৯
- আপনার ২০% = ৳২০০
উদাহরণটি জনপ্রিয় প্ল্যানের মাসিক দাম আর বর্তমান কমিশন রেট দিয়ে হিসাব করা। আপনার আয় নির্ভর করবে কতজন যোগ দেয় আর কতদিন থাকে তার ওপর।
আজকের বিক্রি দিয়েই পরখ করুন।
অ্যাকাউন্ট খুলুন, কয়েকটা পণ্য যোগ করুন, পরের কাস্টমারের বিলটা বিজনেসিতে করুন। সাত দিন ফ্রি, কোনো টাকা লাগবে না, যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়।