bisnesy.comবিক্রি হোক দ্রুত।টাকার হিসাব থাকুক নিখুঁত।
আপনার কাউন্টার, আপনার গুদাম আর আপনার হিসাবরক্ষক — তিনজনের জন্যই একটা লগইন। বাংলাদেশের ব্যবসার জন্য তৈরি স্মার্ট এআই বিজনেস ম্যানেজার।
Powered & developed by WaafiTech
কাগজের খাতা, ক্যালকুলেটর আর তিনটা অ্যাপ — সবগুলোর জায়গা নেয় একটাই বিজনেসি।
মোড়ের দোকান হোক বা কয়েক শাখার পাইকারি ব্যবসা — বিলিং, স্টক, হিসাব, কর্মী আর টাকা সবকিছু একটাই ভরসার জায়গা থেকে চলে। যেটা লাগবে, সেটা আছে; যেটা লাগবে না, তার জন্য টাকা গুনতে হবে না।
আজ আমরা কী দেখব
- 01দোকানদারের রোজকার মাথাব্যথা
- 02POS — কাউন্টারের গতি
- 03স্টক ও গুদামের নিখুঁত হিসাব
- 04পণ্যের ক্যাটালগ ও ফার্মেসী ডাটাবেস
- 05আসল ডাবল-এন্ট্রি হিসাব ও ভ্যাট
- 06ক্রয়, খরচ, মূলধন ও রিপোর্ট
- 07কাস্টমার, বাকি ও নিজের দামের তালিকা
- 08বাকি আদায়, মার্কেটিং ও লয়্যালটি
- 09সার্ভিস, বুকিং ও রিকারিং বিল
- 10কর্মী, হাজিরা, ছুটি ও বেতন
- 11এআই স্টুডিও ও ড্যাশবোর্ড
- 12নিরাপত্তা ও একাধিক শাখা
- 13তুলনা, দাম ও শুরু করার উপায়
সারাদিন পরিশ্রম, রাতে চারটা প্রশ্নের উত্তর নেই
“লাভ হলো কত?”
বিক্রি ভালোই হলো, ক্যাশ বাক্সও ভরা। কিন্তু বাকি, খরচ আর ক্রয়মূল্য বাদ দিলে হাতে আসলে কী থাকল — উত্তরটা অনুমানেই থেকে যায়।
“পরে দিব” বলে চলে যায়
বাকির খাতা মোটা হয়, মনে করানোর দায়িত্বটা আপনার ঘাড়ে। ফোন করতে সংকোচ, না করলে টাকা আটকে থাকে।
মাল আছে ভাবলেন, নেই
চুরি, ভাঙা, মেয়াদ শেষ — কোথায় কত গেল কেউ বলতে পারে না। ক্রেতা এসে ফিরে যায়, আর মূলধন পড়ে থাকে অবিক্রীত মালে।
অ্যাপের ভিড়, বিলের ভিড়
বিলিং এক অ্যাপে, খাতা আরেকটায়, ডিজাইন তৃতীয় জায়গায়। প্রতি মাসে আলাদা বিল, আর কোনো হিসাব কোনোটার সাথে মেলে না।
চার প্রশ্নের উত্তর — এক জায়গায়
১২টি মডিউল, একটাই লগইন, একটাই বিল। মডিউল ধরে ধরে বাড়তি চার্জ নেই।
POS ও অনলাইন বিক্রি
স্টক ও একাধিক গুদাম
ভ্যারিয়েন্ট ও কম্বো প্যাক
২৬,০০০+ ওষুধের ডাটাবেস
ডাবল-এন্ট্রি হিসাব ও ভ্যাট
ক্রয়, খরচ, মূলধন ও অ্যাসেট
কাস্টমার, বাকি ও দামের তালিকা
রিমাইন্ডার, মার্কেটিং ও লয়্যালটি
সার্ভিস, বুকিং ও রিকারিং বিল
হাজিরা, ছুটি, বেতন ও এজেন্ট ব্যাংকিং
এআই স্টুডিও ও ড্যাশবোর্ড
নিরাপত্তা ও একাধিক শাখা
কাউন্টার, স্টক ও ক্যাটালগ
নেট না থাকলেও বিলিং চলবে, প্রতিটি পিসের হিসাব থাকবে, আর ওষুধের নাম লিখলেই বাকিটা নিজে বসে যাবে।
লাইনে পাঁচজন দাঁড়ানো? নেট গেলেও বিল থামবে না
লাইন কাটুক, বৃষ্টিতে নেট যাক — বিল হবে আগের মতোই। ইন্টারনেট ফিরলেই সবকিছু নিজে থেকে ক্লাউডে উঠে যায়, একটা এন্ট্রিও হারায় না।
নিজের বারকোড বানান, যেকোনো সাইজে প্রিন্ট করুন। স্ক্যানার না থাকলে মোবাইলের ক্যামেরাই স্ক্যানার।
দোকানের বিক্রি আর ফেসবুক পেজের অর্ডার একই জায়গায়। কাস্টমারকে ইনভয়েস লিংক পাঠিয়ে দিন — সে নিজেই দেখে নেবে।
অর্ধেক নগদ, বাকিটা বাকি — এক পর্দাতেই। থার্মাল রশিদ বা A4 ইনভয়েস, যেটা দরকার সেটাই এক ট্যাপে।

দোকানে না থেকেও দোকান আপনার হাতে
ঢাকায় বসে চট্টগ্রামের দোকানের বিক্রি দেখুন। কর্মী বিল করলে ফোনে নোটিফিকেশন আসবে — কিছুই আড়ালে থাকবে না।




শেলফে কী আছে, তা আর অনুমানের বিষয় নয়
দোকান, গুদাম, শাখা — প্রতিটির আলাদা স্টক। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মাল পাঠালে দুই দিকের হিসাব নিজেই ঠিক হয়ে যায়।
যে মালটা দ্রুত চলে, সেটা শেষ হওয়ার আগেই সফটওয়্যার আপনাকে বলে দেবে। “স্যরি, শেষ হয়ে গেছে” — এই কথাটা আর বলতে হবে না।
একই মাল ভিন্ন দামে কিনেছেন? গড় ক্রয়মূল্য নিজে থেকেই হিসাব হয় — তাই লাভের অঙ্কটা সত্যি হয়।
ব্যাচ ও মেয়াদের তারিখ ধরে ট্র্যাকিং। মেয়াদ শেষের আগেই সতর্কবার্তা — লোকসানের আগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় থাকে।

মাল নষ্ট হলে ক্ষতিটা অন্তত হিসাবে ধরা পড়ুক
- Theft
- চুরি বা উধাও হওয়া মাল
- Damage
- ভাঙা, ফেটে যাওয়া, নষ্ট
- Expiry
- মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া
- Count correction
- গুনে দেখলে যা মেলে না
এক এন্ট্রি, চারটা জিনিস নিজে ঠিক হয়
- 01গড় ক্রয়মূল্য আবার নতুন করে হিসাব হয়
- 02স্টকের পরিমাণ সাথে সাথে সংশোধন হয়ে যায়
- 03হিসাবের খাতায় জার্নাল এন্ট্রি নিজে বসে যায়
- 04লাভ-ক্ষতির রিপোর্টে ক্ষতিটা সঠিক জায়গায় দেখায়
কাগজে লাভ, বাস্তবে লোকসান — এই ফাঁদ এখানেই শেষ।
নষ্ট মালের হিসাব না রাখলে খাতা মিথ্যা লাভ দেখায়। বিজনেসিতে প্রতিটি ক্ষতি নিজে থেকেই খাতায় বসে, তাই মাস শেষে যে সংখ্যাটা দেখছেন — সেটাই আসল।
আপনার দোকান যেমন, ক্যাটালগও তেমন হবে

সাইজ, রঙ, মডেল — প্রতিটির নিজের দাম, নিজের স্টক, নিজের বারকোড। আর কয়েকটা পণ্য মিলিয়ে অফার প্যাক বানাতে এক মিনিটও লাগে না।

ওষুধের নামের প্রথম কয়েকটা অক্ষর লিখুন — জেনেরিক নাম, কোম্পানি আর MRP নিজেই বসে যাবে। হাজারো পণ্য হাতে তোলার পরিশ্রম বেঁচে গেল।
হিসাব, খরচ ও রিপোর্ট
অ্যাকাউন্ট্যান্ট যে খাতা দেখে সই করতে পারবেন — সেটা নিজে থেকেই তৈরি হয়ে থাকে।
খাতা লেখার অ্যাপ নয় — এটা আসল হিসাবরক্ষণ
আপনি শুধু বিক্রি করেন, ক্রয় করেন, খরচ লেখেন। জার্নাল এন্ট্রি, লেজার, ট্রায়াল ব্যালেন্স — সব পেছনে নিজে থেকেই তৈরি হয়ে যায়।
পূর্ণাঙ্গ চার্ট অব অ্যাকাউন্টস আর লেজার — ব্যাংকে বা বিনিয়োগকারীর সামনে দেখানোর মতো।
মাস শেষে বসে মেলাতে হবে না — ট্রায়াল ব্যালেন্স সবসময় তৈরি থাকে।
এনবিআরের নিয়ম মেনে ভ্যাট ইনভয়েস ও রিপোর্ট। ভ্যাট অফিসারের প্রশ্নের উত্তর হাতের কাছেই।


টাকা কোথা থেকে এলো, কোথায় গেল — শেষ টাকাটা পর্যন্ত
সাপ্লায়ারের বিল, মাল বুঝে নেওয়ার রেকর্ড, ফেরত পাঠানো মাল — কার কাছে কত দেনা, এক পাতায়।
ভাড়া, বিদ্যুৎ, পরিবহন, চা-নাস্তা — ছোট খরচগুলোই লাভ খেয়ে ফেলে। ক্যাটাগরি ধরে দেখুন কোথায় বেশি যাচ্ছে।
নিজের লগ্নি, ব্যাংক লোন আর প্রতি মাসের কিস্তি — ব্যবসার টাকা আর নিজের টাকা আর মিশে যাবে না।
এসি, ফ্রিজ, শোকেস, গাড়ি — সবের হিসাব, আর বছর বছর অবচয় নিজে থেকেই বসে যায়।


যে প্রশ্নটাই মনে আসুক, রিপোর্ট আগেই তৈরি
বিক্রি, স্টক, বাকি, ভ্যাট, লাভ — ৩৩টি রিপোর্ট এক ক্লিকে। এক্সেল বা পিডিএফে নামিয়ে হিসাবরক্ষককে পাঠিয়ে দিন।



কাস্টমার, বাকি ও বিক্রি বাড়ানো
টাকা তোলার তাগাদা দেবে সফটওয়্যার, আর কাস্টমারকে ফিরিয়ে আনবে অফার।
“আমার কত বাকি?” — উত্তর দিতে দুই সেকেন্ড
প্রতিটি কাস্টমার ও সাপ্লায়ারের নিজের খাতা — কে কত পাবে, কে কত দেবে, কোন তারিখে কী হয়েছে, সব সাজানো। তর্কের জায়গা থাকে না।
পাইকার এক দাম, খুচরা আরেক দাম, পুরনো কাস্টমারের জন্য বিশেষ দাম। পার্টির নাম ধরলেই ঠিক দামটা বসে যায় — কর্মী ভুল করার সুযোগই পায় না।
সুন্দর কোটেশন পাঠান, অর্ডার এলে সেটাকেই এক ক্লিকে ইনভয়েস বানিয়ে ফেলুন। আবার টাইপ করার দরকার নেই।

তাগাদা দেওয়ার অস্বস্তিটা সফটওয়্যারকে দিয়ে দিন
বাকিতে বিক্রির সময় তারিখটা বসিয়ে দিন। দিন এলে কাস্টমারের কাছে ভদ্রভাবে বার্তা চলে যাবে — আপনাকে ফোন করতেও হবে না, সম্পর্কও নষ্ট হবে না।
বার্তার সাথেই তার পুরো হিসাবের পিডিএফ। “কত বাকি, কীসের বাকি” — প্রশ্ন করার আগেই উত্তর হাতে।
নতুন মাল এসেছে? ঈদের অফার? কাস্টমার গ্রুপ বেছে নিয়ে SMS বা ইমেইল পাঠান। যারা আগে কিনেছে, তাদের ফেরানোই সবচেয়ে সস্তা মার্কেটিং।

নতুন কাস্টমার জোগাড়ের চেয়ে পুরনো কাস্টমার ফেরানো সহজ
তিনটাই কাস্টমারের প্রোফাইলের সাথে জোড়া — বিল করার সময় নিজে থেকেই বসে যায়।
মেম্বারশিপ ও পয়েন্ট
প্রতি কেনাকাটায় পয়েন্ট জমুক, পরের বিলে ছাড় হয়ে ফিরুক। জমানো পয়েন্ট থাকলে কাস্টমার পাশের দোকানে যায় না।
কুপন ও প্রোমো কোড
নির্দিষ্ট পণ্যে, নির্দিষ্ট দিনে বা নির্দিষ্ট কাস্টমারের জন্য কুপন — সংখ্যা আর মেয়াদ আপনি বেঁধে দেবেন, তাই ছাড় হাতের বাইরে যায় না।
ছাড়ের নিয়ন্ত্রণ
আইটেমে বা পুরো বিলে ছাড়, টাকায় বা শতাংশে। কে কত ছাড় দিতে পারবে সেটাও ঠিক করা যায় — আর প্রতিটি ছাড় রিপোর্টে থাকে।
শুধু দোকান নয় — সেবার ব্যবসাও এখানে চলে
স্টক নেই, তবু হিসাব আছে
সার্ভিসের দাম ঠিক করুন, বিল দিন। কে কোন সার্ভিস করল আর তার কমিশন কত — মাস শেষে বেতনের সাথেই মিলে যাবে।
অ্যাডভান্স বুকিং, ডাবল বুকিং নয়
রুম, সিট বা প্যাকেজের বুকিং এক পর্দায়। অ্যাডভান্সের টাকা সোজা কাস্টমারের খাতায় জমা হয়ে যায়।
একবার সেট, প্রতি মাসে বিল
মাসিক বিল নিজে থেকেই তৈরি হয়, রিমাইন্ডারও চলে যায়। শত গ্রাহক হলেও মাসের শুরুতে আর তালিকা নিয়ে বসতে হয় না।
কে কখন এলো, কত ঘণ্টা কাজ করল — আর কাউকে জিজ্ঞেস করতে হবে না
হাজিরার খাতা, ছুটির চিরকুট আর মুখের কথা — তিনটার জায়গায় একটাই রেকর্ড, যেটা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে না।
অ্যাপে ঢুকলেই হাজিরা
কর্মী কাজ শুরু করতে অ্যাপে লগইন করলেই হাজিরা বসে যায় — সময় আর ডিভাইসসহ। আলাদা মেশিন কিনতে হবে না।
দরকার হলে আপনি নিজে বসাবেন
কেউ মাঠে গেছে, কারও ফোন নষ্ট? মালিক বা অ্যাডমিন হাতে হাজিরা বসিয়ে দিতে পারবেন — কে বসিয়েছে সেটাও লেখা থাকবে।
কর্মঘণ্টা, দেরি ও ওভারটাইম
ইন-আউট সময় থেকে দৈনিক কর্মঘণ্টা, দেরির দিন আর অতিরিক্ত সময় নিজেই হিসাব হয়। মাস শেষে কার কত — তর্ক ছাড়াই পরিষ্কার।
ছুটির আবেদন, এক ট্যাপে অনুমোদন
কর্মী অ্যাপ থেকেই ছুটির আবেদন করবে, আপনি যেখানে থাকুন এক ট্যাপে মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর করবেন। কে কত ছুটি নিল, হিসাব জমা থাকে।
সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি
শুক্রবার, ঈদ, সরকারি ছুটি — ক্যালেন্ডারে একবার বসিয়ে দিন। ছুটির দিনে অনুপস্থিত দেখাবে না, বেতনও কাটবে না।
পুরো নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে
হাজিরা, কর্মঘণ্টা, ছুটি, ওভারটাইম — সব রেকর্ড মালিক বা অ্যাডমিন দেখতে, সংশোধন করতে আর অনুমোদন করতে পারবেন। এক জায়গা থেকেই।
মাসের শেষ তারিখটা আর আতঙ্কের দিন নয়
হাজিরা থেকেই বেতন শিট
উপস্থিতি, ছুটি আর ওভারটাইম ধরে বেতন নিজেই হিসাব হয়। মাসের মাঝে নেওয়া অ্যাডভান্স কাটা যায়, বোনাস যোগ হয় — আর পুরো খরচটা সোজা হিসাবের খাতায় বসে যায়। ক্যালকুলেটর আর কাগজের দিন শেষ।
বিকাশ-নগদের ফ্লোট আর কমিশন আলাদা
ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট — প্রতিটির কমিশন আর ফ্লোট ব্যালেন্স আলাদা করে ট্র্যাক করুন। দোকানের বিক্রির টাকার সাথে এজেন্সির টাকা আর মিশে যাবে না।
এআই, ড্যাশবোর্ড ও নিরাপত্তা
ডিজাইনার ছাড়াই প্রচার, আর কর্মীর হাতে ঠিক ততটুকুই ক্ষমতা যতটা আপনি দিতে চান।
পোস্ট বানাতে আর ডিজাইনারের পেছনে ঘুরতে হবে না
মোবাইলে তোলা ছবিটাই দোকানের প্রচার হয়ে যাবে — সফটওয়্যারের ভেতরেই, বাড়তি টাকা ছাড়াই।

এক ক্লিকে ব্যাকগ্রাউন্ড উধাও — যতবার দরকার, ততবার।

অফারের পোস্ট বানিয়ে সোজা ফেসবুকে দিন।

ভিজিটিং কার্ডের ডিজাইন নিজেই বানিয়ে প্রিন্টে দিন।
আজ ব্যবসা কেমন গেল — চা শেষ হওয়ার আগেই জানা
বিক্রি, হাতে থাকা ক্যাশ, আদায় বাকি, ফুরিয়ে আসা মাল আর গত মাসের সাথে তুলনা — লগইন করলেই সামনে।

কর্মীকে কাজ দিন, খাতা নয়
সেলসম্যান শুধু বিল করবে, ম্যানেজার স্টক দেখবে, লাভ-ক্ষতি শুধু আপনি। কে কী দেখবে — প্রতিটি লাইন আপনি ঠিক করে দেবেন।
কোন ডিভাইস থেকে লগইন হচ্ছে তা ধরা পড়ে, অচেনা ডিভাইস আটকে দেওয়া যায়। কর্মী চলে গেলে অ্যাকসেস বন্ধ — এক ক্লিকেই।
সব শাখা এক জায়গায়, এক ক্লিকে শাখা বদল। ডেটা থাকে ক্লাউডে — মোবাইল হারালেও ব্যবসার হিসাব হারায় না।

ছোট ছোট যে সুবিধাগুলো রোজ কাজে লাগে
বাল্ক ইমপোর্ট
এক্সেল ফাইল থেকে হাজারো পণ্য আর কাস্টমার একবারে তুলে নিন — শুরুর দিনটাই বেঁচে যায়।
সব লেনদেনের ফিড
দিনের প্রতিটি লেনদেন একটাই তালিকায় — কে করল, কখন করল, সব লেখা।
কাস্টম অ্যালার্ট
নিজের মতো রিমাইন্ডার সেট করুন — চেকের তারিখ, দোকান ভাড়া, লাইসেন্স নবায়ন।
একাধিক ব্যবসা
দুটো ব্যবসা আলাদা রাখুন এক লগইনেই — হিসাব মিশবে না, বদলাতে এক ক্লিক।
বাংলা ও English
যে ভাষায় স্বচ্ছন্দ, সেটাই বেছে নিন — কর্মী প্রথম দিনেই চালাতে পারবে।
বিকাশ পেমেন্ট
সাবস্ক্রিপশনের বিল বিকাশেই — কার্ড বা ব্যাংকের ঝামেলা নেই।
ক্লাউড সিঙ্ক
মোবাইল, ল্যাপটপ, কাউন্টারের পিসি — যেখানেই খুলুন, একই হিসাব।
বাংলায় সাপোর্ট
সমস্যায় পড়লে বাংলায় কথা বলুন — ফোনে, হোয়াটসঅ্যাপে। মানুষ উত্তর দেবে, রোবট নয়।
খাতার অ্যাপ ছোট, বিদেশি ইআরপি বড় — বিজনেসি ঠিক মাপের
| যা দরকার | Bisnesy | Karbar | Tally Khata | TallyPrime | Odoo | হিসাব নিকাশ |
|---|---|---|---|---|---|---|
| POS ও স্টক একসাথে | পুরোপুরি | বেসিক | নেই | সীমিত | অ্যাড-অন | বেসিক |
| আসল ডাবল-এন্ট্রি হিসাব | বিল্ট-ইন | নেই | নেই | আছে | আছে | সীমিত |
| নেট ছাড়া বিলিং | হ্যাঁ, পরে সিঙ্ক | আংশিক | আংশিক | শুধু ডেস্কটপ | না | না |
| হাজিরা, ছুটি ও বেতন | অ্যাপেই অটো | নেই | নেই | অ্যাড-অন | আলাদা মডিউল | নেই |
| ২৬,০০০+ ওষুধের ডাটাবেস | আছে | নেই | নেই | নেই | নেই | নেই |
| বাকির অটো রিমাইন্ডার | লেজার PDF সহ | SMS | SMS | নেই | অ্যাড-অন | সীমিত |
| এআই ডিজাইন স্টুডিও | আনলিমিটেড | নেই | নেই | নেই | নেই | নেই |
| শুরুর খরচ | ৳৪৯৯ / মাস | সাবস্ক্রিপশন | ফ্রি, সীমিত | বড় লাইসেন্স ফি | মডিউলপ্রতি বিল | সাবস্ক্রিপশন |
তুলনাটি প্রকাশ্য তথ্য ও সাধারণ প্ল্যানের ভিত্তিতে তৈরি — জুলাই ২০২৬।
দামি সফটওয়্যারের শক্তি, দোকানদারের ভাষায়
খরচ একটাই
যা দেখছেন তাই পাচ্ছেন — মডিউল ধরে ধরে বাড়তি বিল নেই, ইনস্টলেশন ফি নেই।
শিখতে একদিন
বাংলায় সবকিছু, দোকানের ছেলেটিও প্রথম দিনেই বিল করতে পারবে। ট্রেনিংয়ের জন্য দোকান বন্ধ রাখতে হবে না।
দেশের নিয়মে তৈরি
এনবিআর ভ্যাট, বিকাশ পেমেন্ট, বাকির খাতা, এজেন্ট ব্যাংকিং — বাংলাদেশের ব্যবসা যেভাবে চলে, ঠিক সেভাবেই।
দাম সৎ, ব্যবসার সাথে বাড়ে
৭ দিন ফ্রি চালিয়ে দেখুন — কার্ড লাগবে না। বিকাশে পেমেন্ট, যখন খুশি আপগ্রেড বা বন্ধ।
একটা দোকান, সবে শুরু।
- ২ ব্যবসা
- ৫ ইউজার
- ৩ ডিভাইস
দোকান চালানোর সবকিছু: POS, পণ্য ও স্টক, পার্টি ও বাকির খাতা, ক্রয়, পেমেন্ট, খরচ, আয়, সেলস চ্যানেল, সার্ভিস ও কমিশন, বুকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, রিকারিং বিল, বারকোড, বাল্ক ইমপোর্ট, রিমাইন্ডার, ডিজাইন স্টুডিও।
টিম আছে, পুরো হিসাবও চান।
- ৫ ব্যবসা
- ১০ ইউজার
- ৬ ডিভাইস
Starter-এর সবকিছু, সাথে: সম্পূর্ণ অ্যাকাউন্টিং, মূলধন ও অ্যাসেট, কর্মী-হাজিরা-ছুটি-বেতন, একাধিক গুদাম, পার্টি-ভিত্তিক দাম।
কয়েক শাখা, সবটুকু চাই।
- ১০ ব্যবসা
- ১৫ ইউজার
- ১০ ডিভাইস
Growth-এর সবকিছু, সাথে: মার্কেটিং ও ক্যাম্পেইন, এআই ফিচার, অ্যাকসেস পলিসি, কম্বো প্যাক, অ্যাডভান্সড বারকোড ও লেবেল, মেম্বারশিপ ও রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ফটো স্টুডিও (AI BG remove), প্রায়োরিটি সাপোর্ট।
আজ বিকেলেই শুরু করুন — সাত দিন পুরো ফ্রি
কার্ড লাগবে না, ইনস্টলেশন লাগবে না। দশ মিনিটে সেটআপ, আর প্রথম বিলটা আজই। ভালো লাগলে বিকাশে পেমেন্ট — এখন ৫০% ছাড়ে।
যাকে বিজনেসি চেনাবেন, তার প্রতি বিলে ২০% আপনার
দোকান না থাকলেও চলবে। আপনার লিংক শেয়ার করুন — কেউ সাবস্ক্রাইব করলে সে ছাড় পাবে, আর আপনি কমিশন পাবেন যতদিন সে থাকবে ততদিন। যোগ দিতে কোনো টাকা লাগে না।
- আপনার রেফার করা প্রতিটি সাবস্ক্রিপশন পেমেন্টে ২০% কমিশন।
- যাদের আমন্ত্রণ জানাবেন তারা পাবে ৩০% ওয়েলকাম ছাড় — তাই লিংকটা ক্লিক করার মতো।
- Tk ৫০০ জমলেই বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংকে তুলে নিন।
আজকের বিক্রি দিয়েই পরখ করুন।
অ্যাকাউন্ট খুলুন, কয়েকটা পণ্য যোগ করুন, পরের কাস্টমারের বিলটা বিজনেসিতে করুন। সাত দিন ফ্রি, কার্ড লাগবে না, যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়।