হিসাব সবসময় ঠিক
প্রতিটি বিক্রি, কেনা, পেমেন্ট আর খরচ নিজে থেকেই ডাবল-এন্ট্রি খাতায় ওঠে। ট্রায়াল ব্যালান্স সবসময় মেলে, আর সব রিপোর্ট একই খাতা থেকে আসে, তাই সংখ্যাগুলো একটা আরেকটার সাথে মেলে।
খামারি চল্লিশ দিন ধরে বাকিতে খাদ্য, বাচ্চা আর ওষুধ নেন, আর মুরগি বাজারে গেলে শোধ করেন। বিজনেসি প্রতিটি খামারির চলতি হিসাব রাখে, আর কোন ভ্যাকসিনের ব্যাচের মেয়াদ ফুরাচ্ছে তা আগেই জানায়।
৭ দিন ফ্রি · কোনো টাকা লাগে না · পণ্য আমরা তুলে দিই
হ্যাঁ। ব্যবসার ধরনে “কৃষি উপকরণ” বেছে নিন: ব্যাচ আর মেয়াদ ট্র্যাকিং, ওজনে বিক্রি চালু হয়, আর কেজি, মণ, বস্তা, বোতল ও লিটার তৈরি থাকে। খাদ্য বিক্রি হয় বস্তায় বা কেজিতে, ভ্যাকসিন আর ওষুধে থাকে ব্যাচ ও মেয়াদ, আর প্রতিটি বাকি বিক্রি যায় খামারির নিজের খাতায়।
ফিড ডিলার আসলে একজন মহাজনও। বিশজন খামারি পুরো এক ব্যাচ মুরগির টাকা বাকি রেখেছেন, কোম্পানি পনেরো তারিখে টাকা চায়, আর খাতা বলতে পারে না কে দেরি করছে। সাথে ফ্রিজে নষ্ট হওয়া ভ্যাকসিন, আর একটা খারাপ মৌসুমেই পুরো বছরের লাভ শেষ।
খামারির বাকি
বিশজন খামারি পুরো এক ব্যাচ মুরগির টাকা বাকি রেখেছেন, আর খাতা বলতে পারে না কে দেরি করছেন।
?ভ্যাকসিন
ফ্রিজে ভ্যাকসিনের ব্যাচের মেয়াদ ফুরায়, ক্ষতি ধরা পড়ে পরের গণনায়।
?খাদ্যের স্টক
একই স্তূপ থেকে বস্তা আর খোলা কেজি, স্তূপের হিসাব কখনো মেলে না।
?আদায়ের দিন
মুরগি বিক্রি হয়ে যায়, আপনি চাওয়ার আগেই খামারির টাকা অন্যখানে চলে যায়।
?খামারির বাকি
প্রতিটি খামারির একটা চলতি খাতা, বাচ্চা থেকে শেষ বস্তা খাদ্য পর্যন্ত।
ভ্যাকসিন
প্রতিটি ভায়ালে ব্যাচ আর মেয়াদ, ফুরানোর আগেই প্রতিদিনের অ্যালার্ট।
খাদ্যের স্টক
বস্তা আর দ্বিতীয় ইউনিট কেজি; দুইভাবেই স্টক ঠিক।
আদায়ের দিন
বাকির বয়স দেখায় চল্লিশ দিনের পাওনা; রিমাইন্ডার যায় এক ট্যাপে।
খাতায় হিসাব রাখলে: বিশজন খামারি পুরো এক ব্যাচ মুরগির টাকা বাকি রেখেছেন, আর খাতা বলতে পারে না কে দেরি করছেন।
বিজনেসিতে: প্রতিটি খামারির একটা চলতি খাতা, বাচ্চা থেকে শেষ বস্তা খাদ্য পর্যন্ত।
খাতায় হিসাব রাখলে: ফ্রিজে ভ্যাকসিনের ব্যাচের মেয়াদ ফুরায়, ক্ষতি ধরা পড়ে পরের গণনায়।
বিজনেসিতে: প্রতিটি ভায়ালে ব্যাচ আর মেয়াদ, ফুরানোর আগেই প্রতিদিনের অ্যালার্ট।
খাতায় হিসাব রাখলে: একই স্তূপ থেকে বস্তা আর খোলা কেজি, স্তূপের হিসাব কখনো মেলে না।
বিজনেসিতে: বস্তা আর দ্বিতীয় ইউনিট কেজি; দুইভাবেই স্টক ঠিক।
খাতায় হিসাব রাখলে: মুরগি বিক্রি হয়ে যায়, আপনি চাওয়ার আগেই খামারির টাকা অন্যখানে চলে যায়।
বিজনেসিতে: বাকির বয়স দেখায় চল্লিশ দিনের পাওনা; রিমাইন্ডার যায় এক ট্যাপে।
মুরগির টাকা খরচ হওয়ার আগেই আদায় করেন, ফ্রিজে ভ্যাকসিন নষ্ট হয় না, আর সবসময় জানেন মোট কত টাকা বাইরে আছে।
নিজের দোকানে দেখুন, ৭ দিন ফ্রিপ্রতিটি বিক্রি, কেনা, পেমেন্ট আর খরচ নিজে থেকেই ডাবল-এন্ট্রি খাতায় ওঠে। ট্রায়াল ব্যালান্স সবসময় মেলে, আর সব রিপোর্ট একই খাতা থেকে আসে, তাই সংখ্যাগুলো একটা আরেকটার সাথে মেলে।
প্রতিটি কর্মচারীর নিজের লগইন, আপনি যা দেখতে দেবেন শুধু তাই দেখে। কে কখন কী বদলাল সব লেখা থাকে। যেকোনো রিপোর্ট বা তালিকা যখন খুশি পিডিএফ বা এক্সেলে নামিয়ে নিন।
প্রথম স্ক্রিন থেকেই বাংলায়। পণ্যে ট্যাপ করুন বা ফোনের ক্যামেরায় স্ক্যান করুন, বিল হয়ে গেল। প্রথম দিন কাউন্টার ধাপে ধাপে দেখিয়ে দেয়।
ইন্টারনেট চলে গেলেও বিল চলতে থাকে, পরে নিজে থেকে সিঙ্ক হয়, একই বিক্রি কখনো দুবার ওঠে না। আপনার এখনকার ফোন, ট্যাবলেট বা পিসিতেই চলে।
| খাতা | এক্সেল | বিজনেসি | |
|---|---|---|---|
| প্রতি বিক্রিতে স্টক নিজেই কমে | শুধু হাতে হিসাব করে | ||
| প্রত্যেক কাস্টমারের বাকি, এক ট্যাপে তাগাদা | শুধু হাতে হিসাব করে | শুধু হাতে হিসাব করে | |
| অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছাড়াই লাভ-ক্ষতি | শুধু হাতে হিসাব করে | ||
| ফোনে বিল, নেট না থাকলেও | |||
| কর্মচারী যা দেখার নয় তা দেখে না | |||
| সেটআপ আমরা করে দিই, ফ্রি |
প্রথম বিলেই তার হিসাব খোলে।
প্রতিটি বস্তা একই খাতায় যোগ হয়।
বিলে ভ্যাকসিনের ব্যাচ আর মেয়াদ।
এক পেমেন্ট আগে পুরনো বিলগুলো মেটায়।
দোকান খোলার সময় ব্যবসার ধরন বেছে নিলেই বিজনেসি এগুলো চালু করে আর এই ইউনিটগুলো বসিয়ে দেয়। সবকিছু পরে সেটিংস থেকে বদলানো যায়, ফিচার চালু-বন্ধ, ইউনিটের নাম বদল বা নিজের ইউনিট যোগ।
নতুন পণ্যে ডিফল্ট ইউনিট: Kilogram → Gram
পোল্ট্রি ও ফিশ ফিডের ডিলার “কৃষি উপকরণ” প্রিসেট ব্যবহার করেন। খাদ্যে ইউনিট দিন বস্তা আর দ্বিতীয় ইউনিট কেজি (১ বস্তা = ৫০ কেজি, বা কোম্পানি যত কেজিতে প্যাক করে), তাহলে বস্তায় বা খোলা কেজিতে বিক্রি হয় আর দুইভাবেই স্টক ঠিক থাকে। বাক্সে বাচ্চা বেচলে সেটিংসে বক্স যোগ করুন।
পাওনার বয়সের রিপোর্ট প্রতিটি খামারির বাকি কতদিনের তা ভাগ করে দেখায়, তাই কোম্পানি আপনার পেছনে লাগার আগেই আপনি চল্লিশ দিনের বাকি আদায়ে যান। হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএসে রিমাইন্ডার যায় এক ট্যাপে।

বিজনেসিতে প্রতিটি পোল্ট্রি ও ফিশ ফিডের ডিলার ব্যবসা একই বুদ্ধিমান স্তর পায়: প্রতিদিনের ব্রিফসহ ড্যাশবোর্ড, নির্ভুলতাসহ পূর্বাভাস, আর প্রতিটি পণ্যের উত্তর। আলাদা কিছু কিনতে হয় না।
৩১টি টুল আর ৪১টি রিপোর্ট, দোকান খোলার সময়েই এই ব্যবসার মতো করে সাজানো। যেটা সব প্ল্যানে নেই, তার পাশে লেখা আছে কোন প্ল্যান থেকে শুরু, টাকা দেওয়ার পরে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারে বিল, ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, ব্যাংক বা বাকিতে। নেট ছাড়াও বিল চলে।
বারকোড বানানো, ছাপা আর স্ক্যান, ফোনের ক্যামেরা দিয়েও।
অনেক পণ্যের দামের লেবেল একসাথে পুরো শিটে ছাপা।
কয়েকটা জিনিস এক আইটেম হিসেবে বিক্রি; প্রতিটি অংশ স্টক থেকে কমে।
নিয়মিত বা পাইকারি কাস্টমার নিজের দাম নিজেই পান।
ছাড়ের কোড বানান, দেখুন কয়টা ব্যবহার হলো আর কত ছাড় গেল।
ইউনিট, ভ্যারিয়েন্ট, ব্যাচ আর সিরিয়াল, আপনার ব্যবসার মতো করে।
প্রতিটি বিক্রি, কেনা আর ফেরতে স্টক বদলায়; গণনা আর বাদ দেওয়ার হিসাবে ঠিক থাকে।
আসল গড় খরচে সাপ্লায়ারের বিল, ফেরত, আর কোন সাপ্লায়ারকে কত দেনা।
প্রতিটি জায়গার আলাদা স্টক, মাঝে স্থানান্তরসহ।
এক্সেল থেকে একবারে পণ্য আর কাস্টমার তুলে আনা।
বিলের বিপরীতে টাকা আসা-যাওয়া, পুরনোটা আগে, ক্যাশ, ব্যাংক আর মোবাইল ওয়ালেটে।
ভাড়া, বিল, বেতন আর প্রতিদিনের বাজার, খাত ধরে, লাভ-ক্ষতিতে।
বিক্রি নয় এমন আয়, ঠিক জায়গায় লেখা।
বিক্রি, কেনা, পেমেন্ট আর খরচ, নতুনটা আগে, খোঁজা যায়।
প্রতিদিনের কাজ থেকে জার্নাল নিজেই বসে; হিসাবরক্ষক খাতা পড়তে পারেন।
মালিকের মূলধন, কিস্তিসহ ব্যাংক বা এনজিওর ঋণ, আর স্থায়ী সম্পদ।
প্রতিটি কাস্টমার আর সাপ্লায়ারের নিজের খাতা, বাকির বয়স আর স্টেটমেন্ট।
বকেয়া বাকি, কম স্টক, মেয়াদ ফুরানো ব্যাচ আর ঋণের কিস্তির জন্য মালিককে প্রতিদিনের অ্যালার্ট।
বাকির তাগাদা আর অফার সরাসরি কাস্টমারের মোবাইলে, এসএমএসে।
নিয়মিত কাস্টমার কেনাকাটায় পয়েন্ট পান, পরে কাজে লাগান।
মাসিক বেতন, অগ্রিম আর পে-স্লিপ, একই হিসাবে।
কে এলেন, কে ছুটিতে, আর মাসে প্রত্যেকের হাজিরা।
প্রতিটি বিক্রেতার টার্গেট আর এ মাসে কতদূর এগোলেন।
আপনার পণ্য, লাইভ দাম আর আসল স্টকসহ একটি পাবলিক পাতা। কাস্টমার ব্যাগে যোগ করে, সাইজ বা কম্বো বেছে, কুপন কোড লাগিয়ে অর্ডার পাঠায় — কোনো অ্যাপ লাগে না।
প্রতিটি ছাপা বিলে QR আছে, যা দিয়ে কাস্টমার নিজের ফোনে বিল দেখে; মোবাইল নম্বরে বাকি আর সিরিয়াল/IMEI দিয়ে ওয়ারেন্টিও যাচাই করা যায়।
কুরিয়ারের পার্সেল লিস্ট ইমপোর্ট করলেই ঠিকানা আর টাকাসহ আসল অর্ডার হয়ে যায়, পরে ডেলিভার্ড, রিটার্ন ও বাতিল একই কাস্টমার আর স্টকের সাথে ট্র্যাক হয়।
বিক্রি থেকেই পার্সেল বুক করুন, পাঠানোর আগে কাস্টমারের ডেলিভারি রেকর্ড দেখুন, আর স্ট্যাটাস নিজে নিজেই আপডেট হতে দেখুন।
প্রতিটি বিলে কোথা থেকে এসেছে তা লেখা থাকে — কাউন্টার, অনলাইন দোকান, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ — আর রিপোর্টে তুলনা দেখায়।
এআই দিয়ে পণ্যের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সরানো, ছোট করা আর কাটা, ব্রাউজারেই।
তৈরি টেমপ্লেট থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট আর ভিজিটিং কার্ড।
বেছে নেওয়ার আগে জেনে রাখুন।
পণ্য, কাস্টমার আর বাকিতে ভরা একটা ডেমো দোকান খুলুন। একটা বিক্রি করুন, বাকি দিন, টাকা নিন, আর দেখুন স্টক ও লাভ কীভাবে বদলায়। এটা শুধু আপনার কপি, এখানে ভুল হলেও কোনো ক্ষতি নেই।
সেটআপ কল বা ট্রেনিং দিন লাগে না (চাইলে ফ্রিতে একটা কল করে দিই)। নতুন দোকানকে প্রথম পণ্য আর প্রথম বিক্রি পর্যন্ত Bisnesy নিজেই হাত ধরে নিয়ে যায়, আসল ক্যাশ কাউন্টারে, আসল স্টক আর আসল হিসাবে।
সাইন আপ করে দোকানের নাম আর ধরন বেছে নিন। একক, হিসাবের খাতা আর ট্যাক্স সেই অনুযায়ী ঠিকঠাক সাজানো হয়ে যায়।
চেনা পণ্যে ট্যাপ করুন বা নিজে লিখুন, শুধু নাম, দাম আর কতগুলো আছে। স্টক আর তার মূল্য সাথে সাথেই উঠে যায়।
কোথায় চাপতে হবে POS নিজেই দেখিয়ে দেয়। স্টক কমে, টাকা ক্যাশ বা বিকাশে জমা হয়, আর লাভ নিজে থেকেই হিসাব হয়ে যায়।
NaN দিন প্রো-র সব ফিচার ফ্রি, আর সেটআপ আমরা আপনার সাথে করে দিই: পণ্য তুলে দিই, শুরুর স্টক আর বাকি বসিয়ে দিই, বাংলায় সেটআপ কল। কোনো টাকা লাগে না, সেটআপ ফি নেই, আর টাকা দেওয়ার পর ৩০ দিনের টাকা ফেরতের গ্যারান্টি।
সেটআপের অনুরোধ হোয়াটসঅ্যাপে সরাসরি ঢাকায় আমাদের টিমের কাছে যায়।
পস, স্টক, হিসাব, এইচআর আর সব রিপোর্ট খোলা। কোনো টাকা লাগে না, কিছু ইনস্টল করতে হয় না।
হোয়াটসঅ্যাপে তালিকা পাঠান: এক্সেল ফাইল, পুরনো সফটওয়্যারের এক্সপোর্ট, বা খাতার ছবি। আমরা তুলে দেব।
আপনার এখনকার স্টক আর কাস্টমার-সাপ্লায়ারের বাকি আমরা বসিয়ে দিই, যাতে প্রথম দিনেই এটা আপনার দোকানের মতো লাগে।
আমাদের টিমের সাথে একটা কলে ইনভয়েস, স্টাফ আর টাকার হিসাব সেটআপ, আর একসাথে প্রথম বিলটা করা।
প্রথম পেমেন্টের ৩০ দিনের মধ্যে শুধু জানান যে কাজে আসছে না, পুরো টাকা ফেরত। কোনো প্রশ্ন নেই, কোনো ফর্ম নেই।
অনেক ব্যবসার সফটওয়্যারে শুরুতেই সেটআপ বা লাইসেন্স ফি দিতে হয়। আমাদের নেই। শুধু প্ল্যানের টাকা, মাসে ৳৪৯৯ থেকে।
দুই মিনিটে অ্যাকাউন্ট খুলুন। কোনো টাকা লাগে না।
পণ্যের তালিকা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান, আমরা তুলে দিই। প্রথম বিলটা একসাথে করি।
প্রো-র সব ফিচার নিজের দোকানে চালিয়ে দেখুন, কোনো শর্ত ছাড়া।
ভালো লাগলে প্ল্যান নিন। ৩০ দিনের মধ্যে কাজে না এলে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই পুরো টাকা ফেরত।
খাতায় যে প্রতিটি দিন যায়, সেদিনের বাকি আর হারানো মালের হিসাব আর ফেরে না। আজ শুরু করলে কাল থেকেই পুরো হিসাব আপনার হাতে।
টাকা ফেরতের গ্যারান্টি: প্রথম পেমেন্টের ৩০ দিনের মধ্যে জানান যে বিজনেসি আপনার কাজে আসছে না, কোনো প্রশ্ন ছাড়াই ৫ কর্মদিবসের মধ্যে সেই পেমেন্টের পুরো টাকা ফেরত দেব। প্রতি অ্যাকাউন্টে একবার।
হ্যাঁ। মুরগি একই পার্টির কাছ থেকে কেনা হিসেবে লিখুন; তার খাতায় দুই দিক আর নিট ব্যালান্স দেখা যায়।
হ্যাঁ। মেয়াদ ফুরাতে বসা ব্যাচ মেয়াদের রিপোর্টে আর মালিকের কাছে প্রতিদিনের অ্যালার্টে দেখায়।
হ্যাঁ। কেনার দাম আসে আপনার কেনা থেকে; বিক্রির দাম আপনি ঠিক করেন, আর সাব-ডিলারের আলাদা দাম রাখা যায়।
যাবে, আর কাজটা আমরাই করে দিই, ফ্রিতে। পণ্যের তালিকা (এক্সেল, আগের সফটওয়্যারের এক্সপোর্ট, বা খাতার ছবি) হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান, আমরা তুলে দিই। কাস্টমার আর সাপ্লায়ারের বাকি আর এখনকার স্টকও বসিয়ে দিই, যাতে প্রথম দিনেই হিসাব আপনার দোকানের মতো দেখায়।
না। নেট চলে গেলেও পস-এ বিল চলতে থাকে। বিক্রিগুলো ফোন বা কম্পিউটারে জমা থাকে আর নেট ফিরলে নিজেই সিঙ্ক হয়, একই বিক্রি দুবার ওঠে না।
হ্যাঁ, সেটিংস থেকে চালু করলেই আপনার একটি পাবলিক দোকানের পাতা খুলে যায় — পণ্য, আসল দাম, স্টক আর ভ্যারিয়েন্ট/কম্বো সব দেখায়। কাস্টমার ব্যাগে পণ্য যোগ করে কুপন কোড দিয়ে ডেলিভারি ঠিকানা দিয়ে অর্ডার পাঠায়; কোনো অ্যাপ ইনস্টল করতে হয় না। অর্ডার আপনার অ্যাপে এসে নতুন → নিশ্চিত → প্রস্তুত → ডেলিভারিতে → সম্পন্ন ধাপে যায়; চাইলে ডেলিভারি চার্জ বা ছাড়ও যোগ করে সেটিকে কোটেশনে বদলে বিক্রি করে দিতে পারেন। চাইলে দোকানটি bisnesy.com-এর দোকান তালিকায়ও দেখাতে পারেন, যাতে নতুন কাস্টমার খুঁজে পায়।
পারবে, আর কিছু ইনস্টল করতে হবে না। প্রতিটি ছাপা বিলে একটি QR থাকে, স্ক্যান করলেই কাস্টমারের নিজের ফোনে বিলটি খুলে যায়। মোবাইল নম্বর দিয়ে বাকি দেখার পাতা আর সিরিয়াল/IMEI দিয়ে ওয়ারেন্টি দেখার পাতাও চালু করা যায় — শুধু ফোন ব্রাউজার।
এফ-কমার্স দিয়ে কুরিয়ারের পার্সেল বা পার্সেল-লিস্ট ফাইল ইমপোর্ট করলেই কাস্টমার, ঠিকানা, টাকা আর কুরিয়ারের কোডসহ আসল অর্ডার হয়ে যায়, আর স্টক থেকে নামে যায়। কুরিয়ারের স্ট্যাটাস আপডেট থেকে ডেলিভার্ড, রিটার্ন্ড ও বাতিলের বিশ্লেষণ পাওয়া যায়, আর ডেলিভারির খরচ ও কমিশন হিসাবে বসে যায়।
যাবে। ড্যাশবোর্ডে আগামী ৩ মাসের বিক্রির পূর্বাভাস আর আগামী দিনের ক্যাশফ্লো থাকে, প্রতিটির নির্ভুলতাসহ। যেকোনো পণ্যে চাপ দিলে তার স্টক হিসাব, লাভ, মাসিক চাহিদা আর কতটুকু অর্ডার দেবেন, সব দেখা যায়। কারা দোকান চালায়, কার কাছে বাকি, প্রতিদিনের ব্রিফে তাও জানা যায় — পোল্ট্রি ও ফিশ ফিডের ডিলার ব্যবসার জন্য আলাদা কিছু কিনতে হয় না।
প্রথম ৭ দিন সব ফিচার খোলা থাকে, কোনো টাকা লাগে না। নিজের দোকানে চালিয়ে দেখুন কোনগুলো কাজে লাগে, তারপর প্ল্যান বেছে নিন। ওপরের তালিকায় কোন ফিচার কোন প্ল্যান থেকে তা লেখা আছে, কেনার পরে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর প্রথম পেমেন্টের ৩০ দিনের মধ্যে কাজে না এলে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই পুরো টাকা ফেরত।
অ্যাকাউন্ট খুলুন, কয়েকটা পণ্য যোগ করুন, পরের কাস্টমারের বিলটা বিজনেসিতে করুন। সাত দিন ফ্রি, কোনো টাকা লাগবে না, যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়।